তামিমের ফিফটিতে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬২ | স্পোর্টস | দেশ রূপান্তর

জিম্বাবুয়েতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারের পর ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছিল টাইগাররা। তবে নিজেদের প্রিয় ফরম্যাটেরে প্রথমটিতেই স্বাগতিকদের বিপেক্ষে হেরে ওয়ানডেতেও সিরিজ হারের শঙ্কায় রয়েছে টাইগাররা। আজ হারলেই খোয়া যাবে সিরিজ। তবে জিতলে ঘুরে দাঁড়াবেন তারা। প্রথম ওভার শেষে তামিমে ব্যাট থেকে ৯ রান আসা যেন ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তাই দেয়। পাওয়ার প্লেতেই ক্যারিয়ারের ৫৫তম অর্ধশতক তুলে নেন তিনি।

প্রথম ম্যাচে তামিমের ব্যাটিং কিছুটা মন্থর ছিল। ইনিংসের শুরুর ওভারে এসেছিল মাত্র ৪ রান। পাওয়ার প্লে ওভার থেকে আসে ৫১ রান। আর তামিম আউট হন ৮৮ বলে ৬২ রান করে। তবে আজ শুরু থেকেই তামিমের আগ্রাসী ব্যাটিং দেখা গেছে। সেক্ষেত্রে বিজয় খেলেছেন কিছুটা দেখেশুনে।   

প্রথম ২ ওভারের ১২টি বলই খেলেছেন তামিম ইকবাল। অভিষিক্ত ব্র্যাডলি এভান্সের করা প্রথম ওভারে তামিম মেরেছেন দুটি চার—প্রথমে প্যাডের ওপর থেকে ফ্লিক করে, পরেরটি কাভার ড্রাইভ করে। পরের ওভারে ভিক্টর নিয়াউচি এসেছেন, তাঁকে কাট করে তামিম মেরেছেন আরেকটি চার। প্রথম ২ ওভারে উঠেছে ১৩ রান। প্রথমে ব্যাটের ফেস ক্লোজ করে মারা স্ট্রেইট ড্রাইভে চার। ব্র্যাডলি এভান্সের ওভারের তামিমের পরের চারটি এল কাট করে। শেষ বলে গিয়ে বাংলাদেশ ও নিজের প্রথম ছক্কাটি মারলেন অধিনায়ক। অফ স্টাম্পের বাইরে শর্ট লেংথে করেছিলেন এভান্স, তামিম সেটিতেই করেছেন আপার কাট। এভান্সের করা পঞ্চম ওভারে উঠেছে ১৪ রান।

এভান্স খরুচে হলেও অন্যপ্রান্তে নিয়াউচি অবশ্য করেছেন আরেকটি আঁটসাঁট ওভার, অন্তত প্রথম ৫টি বৈধ ডেলিভারি। শেষ বলে এসে আউটসাইড-এজে আরেকটি চার পেয়েছেন তামিম। ৬ ওভার শেষে বাংলাদেশ তুলেছে ৪০ রান, তামিম অপরাজিত ২৮ বলে ৩৩ রান করে।

১০ ওভার শেষে কোনো উইকেটে না হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬২ রান। ৪৪ বলে ৫০ রানে তামিম ও ১৬ বলে ১০ রানে অপরাজিত বিজয়।

প্রথম ম্যাচে পাঁচ উইকেটে হারের লজ্জা পায় বাংলাদেশ। ফলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা ১৯ ম্যাচ জয়ের ধারা শেষ হয় বাংলাদেশের। ২০১৩ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে জিম্বাবুয়ে।