স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ‘অপারগতা’ জানালো কওমি শিক্ষা বোর্ডগুলো

আগামী ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে অপারগতা জানিয়েছে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা বোর্ডগুলোর সমন্বিত কর্তৃপক্ষ আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিআ’তিল কওমিয়া। রবিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছেন বোর্ডের অফিস ব্যবস্থাপক অছিউর রহমান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে অছিউর রহমান জানান, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় আল হাইআর এই সিদ্ধান্ত জানাতে বোর্ডের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত একটি অপারগতাপত্র স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে পৌঁছে দেন ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। 

সেই চিঠিতে বৈঠকের এজেন্ডায় উল্লিখিত হেফাজতে ইসলামের গত বছরের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাশকতা ও সংগঠনের নায়েবে আমির মিজানুর রহমান চৌধুরীর ৮ পরামর্শের সঙ্গে আল হাইআ’র কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানানো হয়। একইসঙ্গে মিজানুর রহমানের চিঠি দেওয়ার বিষয়টি তার এখতিয়ার বহির্ভূত বলে জানায় আল হাইআ।

জানা গেছে, প্রতিনিধি দলে ছিলেন, ফরিদাবাদ মাদরাসার মুহাদ্দিস মুফতি নুরুল আমিন; তানযিমুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়ার সভাপতি মুফতি আরশাদ রাহমানী; লালবাগ মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মুফতি ফয়জুল্লাহ; বেফাকের সহসভাপতি মাওলানা মুসলেহ উদ্দীন রাজু; জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের সহসভাপতি মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ ও একই বোর্ডের মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ আলী। তারা সবাই হাইয়াতুল উলয়ার সদস্য।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, হেফাজতে ইসলামের সহসভাপতি অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরীর পাঠানো চিঠি একান্তই তার ব্যক্তিগত বিষয়। এর সঙ্গে হাইয়াতুল উলয়া বা সংশ্লিষ্ট ছয় বোর্ডের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাছাড়া হেফাজতের ওই নায়েবে আমির হাইয়াতুল উলয়ার কেউ নন। তার প্রেরিত চিঠির ওপর ভিত্তি করে ডাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সভায় অংশগ্রহণে তাই অপরগতা প্রকাশ করছে হাইয়াতুল উলয়া।’

উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার হেফাজতে ইসলাম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে তাদের এই নায়েবে আমিরের চিঠির সঙ্গে সংগঠনের কোনও সম্পৃক্ততা নেই। সংগঠন তার চিঠির সঙ্গে একমতও নয় বলেও জানানো হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে অংশ নিতে অপারগতা জানাবে আল হাইআ’তুল উলইয়া
বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসা বোর্ড সভাপতির ছবি দিয়ে দিল্লিতে বিব্রত আম আদমি