SFI: শিক্ষা, সংবিধান ও দেশ বাঁচানোর দাবি, দেশজুড়ে জাঠা শুরু করল এসএফআই

রাজ্যে এই জাঠা ঘোরার সময়ে তার যাত্রাপথে স্পর্শ করবে রাজনৈতিকভাবে নানা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা, শহীদদের বাসস্থান। এরপর ১ সেপ্টেম্বর কলকাতায় প্রবেশ করবে জাঠা। ২ সেপ্টেম্বর কলকাতার কলেজস্ট্রিটে অনুষ্ঠিত হবে ছাত্র সমাবেশ। মূলত জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-র বিরোধিতা এবং স্বাধীনতার ৭৫ বছরকে সামনে রেখে এসএফআই বাংলার বুকে প্রায় এক কোটি ছাত্রছাত্রীর কাছে পৌঁছে তাদের মতামত নিয়ে তৈরি করবে বিকল্প শিক্ষানীতি।

এই কাজে তারা‌ রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, কেরলের শিক্ষামন্ত্রী এবং বিভিন্ন শিক্ষাবিদের পরামর্শও নেবে। এই শিক্ষানীতি প্রকাশিত হবে ২ সেপ্টেম্বরের মঞ্চে। এই জাঠাকে কেন্দ্র করে সারা মাসজুড়ে একাধিক ধরণের কর্মসূচি করবে এসএফআই। ৩-৬ অগাস্ট এসএফআইয়ের ডিজিটাল সেমিনার চলছে শ্যামল চক্রবর্তী- সুভাষ চক্রবর্তী স্মরণে। হাজার হাজার সভা, মিছিলের পাশাপাশি স্বাধীনতা উৎযাপনে বিপ্লবীদের স্মরণ করার অভিনব পদ্ধতি ঘোষণা করেছে তারা। ১৫ অগাস্ট জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ১৬ অগাস্ট এই রাজ্যের দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলিতে সম্প্রীতির রাখি বন্ধন পালন করার পরিকল্পনাও‌ নিয়েছে এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ। কেন্দ্রীয় স্লোগান ছাড়াও এ'রাজ্যের জন্য নিজস্ব স্লোগান স্থির হয়েছে "এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।"

কেন্দ্রের পাশাপাশি রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও আন্দোলন করে চলেছে এসএফআই। এসএসসি-সহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতার ইত্যাদি নিয়ে এই বিষয়ে আরও সুর চড়ানোর কৌশল হাতছাড়া করতে চাইছে না সংগঠনের নেতারা। একই সঙ্গে রাজ্যের এই বিষয়টিকে জাতীয় স্তরে নিয়ে যেতে চাইছেন সংগঠনের নেতৃত্ব। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।