চলন্ত বাসে গৃহবধূকে ধর্ষণ:  ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন

গাজীপুরে তাকওয়া পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে স্বামীকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে দিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। 

রোববার (৭ আগস্ট) গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক এ এন এম আল মামুন এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক আল মামুন জানান, ভুক্তভোগীর শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষা করেছেন ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক সানজিদা হক।

এদিকে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কার্যালয়ে রখা হয়েছে। এ বিষয়ে রোববার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে পুলিশের। 

গাজীপুর পুলিশ সুপার কার্য়ালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এডিশনাল এসপি-ক্রাইস) সানোয়ার হোসেন। 

পুলিশ জানায়, নওগাঁ থেকে তারা একটি বাসে এসে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস এলাকায় নামেন। শনিবার  রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে ভালুকার স্কয়ার মাস্টার বাড়ি এলাকার ভাড়া বাসায় ফেরার জন্য তারা তাকওয়া পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। বাসটি মাওনা ফ্লাইওভার পার হলে ওই নারীর স্বামীকে মারধর করে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। পরে বাসচালক, তার সহযোগীসহ পাঁচ জন মিলে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর মোবাইল ফোন, ব্যাগ, নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে বাসটি ঘুরিয়ে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তায় তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়। 

এ ঘটনায় শনিবার রাতে শ্রীপুর থানায় একটি মামলা করেন ওই নারীর স্বামী। পরে ঘটনার সঙ্গে জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।