Shootout: স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে এসে গুলিবিদ্ধ দুষ্কৃতী, চাঞ্চল্য চুঁচুড়ার হাসপাতালে

Shootout: স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে এসে গুলিবিদ্ধ দুষ্কৃতী, চাঞ্চল্য চুঁচুড়ার হাসপাতালে

বিচারাধীন বন্দিদেরকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল চুঁচুড়ার ইমামবাড়া হাসপাতালে। সেখানে এসে দাঁড়ায় প্রিজন ভ্যান। আর তারপর ভ্যান থেকে কুখ্যাত এক দুষ্কৃতী নামতেই তাকে লক্ষ্য করে চলে গুলি। গুলির আঘাতে লুটিয়ে পড়ে সে। তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালের ভেতরে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে । স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে আসা দুষ্কৃতীদের লক্ষ্য করে কে গুলি চালালো এই নিয়ে ওঠে প্রশ্ন। তবে এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি বলেই খবর।

শনিবার সকাল ১১ টা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটে চুঁচুড়ার ইমামবাড়া হাসপাতাল চত্বরে । সেখানে জরুরি বিভাগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য নিয়ে আসা হয় বিচারাধীন বেশ কয়েকজন বন্দিকে। প্রিজন ভ্যান থেকে নামার সময় টোটন বিশ্বাস নামে এক কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুলি এসে লাগে তাঁর পেটে। গুলির শব্দেই হুড়োহুড়ি পড়ে যায় সেখানে । আতঙ্কিত হয়ে পড়েন রোগীর পরিজনেরা । আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় টোটন বিশ্বাসকে। সেখানে অস্ত্রোপচার করা হয় তাঁর। পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েকজন দুষ্কৃতী রোগী সেজে অপেক্ষা করছিল টোটন বিশ্বাসের জন্যই।

তাকে দেখা মাত্রই গুলি চালায় তাঁরা। আর তারপর সুযোগ পেয়ে পালিয়ে যায় সেখান থেকে। তবে পুলিশের সামনে কীভাবে চলল গুলি এই নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন । বর্তমানে সেখানে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ তাঁরা ক্ষতি দেখছেন বলে খবর সূত্রের।হাসপাতাল চত্বরে থাকা রোগীর আত্মীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, এই ঘটনায় তাঁরা সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এমনিতেই হাসপাতালে ব্যস্ততার মধ্যে থাকেন সকলে। তার উপরে থাকে মানসিক চাপ। সেই রকম পরিস্থিতিতে এই ধরনের শুট আউটের ঘটনা একেবারেই অপ্রত্যাশিত। অন্যদিকে প্রিজন ভ্যানে থাকা অন্যান্য বন্দিরা আতঙ্কে ভ্যান থেকে নামতে চাননি বলেই খবর । যদিও তাদেরকে পরবর্তীতে জোর করে নামিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য।

এই প্রজন্মের তরুণ সাংবাদিকদের নিয়ে তৈরি টিম প্রথম কলকাতা। বর্তমান বাস্তবতায় ” দ্রুততার সঙ্গে সঠিক তথ্য” পরিবেশন করা টিম প্রথম কলকাতার প্রধান লক্ষ্য। প্রথম কলকাতা নিউজ পোর্টাল বাঙালির সংস্কৃতিকে ধারণ করে আধুনিকতার সঙ্গে চলার প্রত্যায় নিয়ে চলছে, চলবে। বিশেষ কোনও দল, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়ের হয়ে নয় “প্রথম কলকাতা” সময়ের প্রয়োজনে সবার আগে থাকে। থাকবে, সব সময়। প্রথম কলকাতা, খবরে প্রথম।